ঢাকা, শনিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, ০১ জিলক্বদ ১৪৪৭ | এখন সময়:

Advertise@01680 34 27 34

শেরপুরের বোতল বেগুনে কৃষকের মুখে হাসি


অনলাইন ডেস্কঃ

প্রকাশিত:   ১০:১২ পিএম, শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট:   ১০:১২ পিএম, শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১  
শেরপুরের বোতল বেগুনে কৃষকের মুখে হাসি
শেরপুরের বোতল বেগুনে কৃষকের মুখে হাসি

প্রবাদ আছে, ‘যার নাই কোনো গুণ, তার নাম বেগুন’; কিন্তু প্রচলিত এ প্রবাদ মিথ্যা প্রমাণ করেছেন শেরপুর সদরের চরাঞ্চলের কৃষকেরা। বর্তমানে সদর উপজেলার চরাঞ্চলে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ ‘বোতল বেগুন’ শেরপুর ছাড়িয়ে বিক্রির জন্য যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এতে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু বেগুনের আবাদ হয়েছে ৮৫০ হেক্টর জমিতে। কামারের চর ইউনিয়নের পয়স্তীর চর, শাহাব্দীর চর, গোয়ালপাড়া, ৬ নম্বর চর, ৭ নম্বর চর, চরভাবনা এবং লছমনপুর ইউনিয়নের লছমনপুর, কুসুমহাটি, নামাশেরীর চর ও দীঘলদী এলাকায় বেগুনের আবাদ বেশি হয়েছে। এখানকার উৎপাদিত বেগুনের রং তামাটে। আকৃতি লম্বা। দেখতে অনেকটা বোতলের মতো। তাই কৃষকেরা এ বেগুনের নাম দিয়েছেন ‘বোতল বেগুন’। একটি বোতল বেগুনের ওজন সর্বনিম্ন ২৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

কৃষকেরা বলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এ বেগুন উৎপাদিত হয়। প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় দুই মণ বেগুন উৎপাদিত হয়। এ বেগুন খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।

গত সোমবার সদরের কামারের চরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বিপুলসংখ্যক কৃষক বাজারে বোতল বেগুন বিক্রির জন্য এনেছেন। এটি একটি পাইকারি বাজার। এখান থেকে পাইকারেরা বেগুনসহ অন্যান্য সবজি কিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান।

ওই বাজারে কথা হয় উপজেলার চরভাবনা গ্রামের কৃষক আমেজ উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ৫০ শতাংশ জমিতে বোতল বেগুন আবাদ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। এখন পর্যন্ত ১৫-১৬ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। আরও প্রায় এক মাস বেগুন বিক্রি করতে পারবেন। এতে তাঁর ভালো লাভ হবে বলে আশা করছেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবাইয়া ইয়াসমিন প্রথম আলোকে বলেন, শেরপুরের বোতল বেগুনে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকেরা বর্ষা মৌসুমের পরপরই এ বেগুন আবাদ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তাই দিন দিন চরাঞ্চলে এ বেগুনের আবাদ বাড়ছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

অর্থনীতি ময়মনসিংহম য়মনসিংহ বিভাগ শেরপুর

আপনার মন্তব্য লিখুন...