ঢাকা, রবিবার ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জৈষ্ঠ্য ১৪৩৩, ১৩ জিলহজ ১৪৪৭ | এখন সময়:

Advertise@01680 34 27 34

দোতলা থেকে ফেলে দেওয়া হলো সাংবাদিককে


অনলাইন ডেস্কঃ

প্রকাশিত:   ০৬:০৪ পিএম, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩   আপডেট:   ০৬:০৪ পিএম, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩  
দোতলা থেকে ফেলে দেওয়া হলো সাংবাদিককে
দোতলা থেকে ফেলে দেওয়া হলো সাংবাদিককে

চট্টগ্রামের দোহাজারীতে এক সাংবাদিককে মারধর করে দোতলা থেকে ফেলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত মঙ্গলবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আজ শুক্রবার দোতলা থেকে ফেলে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। আহত সাংবাদিক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ওই সাংবাদিকের নাম আইয়ুব মিয়াজী (৩৪)। তিনি দৈনিক জনবাণী পত্রিকার চন্দনাইশ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তাঁর অভিযোগ, অবৈধভাবে পাহাড় কাটা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জের ধরে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। মারধর করে তাঁকে দোতলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

আইয়ুব মিয়াজীর বাড়ি দোহাজারী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জামিজুড়ি গ্রামে। শুক্রবার রাত আটটায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আইয়ুব মিয়াজী বলেন, পাহাড় কাটার বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন করেছেন তিনি। এসব সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিন ও মোহাম্মদ ফারুক তাঁকে হুমকি দেন। তাঁর অভিযোগ, দোহাজারীর স্টেশন রোডের আরকে প্লাজায় তাঁর একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গত মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে আলাউদ্দিন, ফারুকসহ ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি প্রবেশ করেন। সঙ্গে একজন নারীও ছিলেন। হামলাকারীরা এসে ওই নারীর সঙ্গে তিনি খারাপ আচরণ করেছেন, এমন অভিযোগ তোলেন। পরে তাঁকে মারধর করা শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁকে দোতলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়।

হামলার পর জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলে জানান আইয়ুব। তিনি বলেন, ‘হামলাকারীরা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। আমার ভাইকেও হামলার হুমকি দিচ্ছেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

আইয়ুবের বাবা আবদুস শুক্কুর (৫৭) হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে আছেন। তিনি বলেন, হামলার পর আইয়ুবকে দোহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় চন্দনাইশ থানায় মামলা করেছেন তিনি।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে আসামি আলাউদ্দিন ও ফারুকের বক্তব্য জানতে কয়েকবার তাঁদের মুঠোফোনে কল দেওয়া হয়। কিন্তু দুজনেরই ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জানতে চাইলে চন্দনাইশ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, আইয়ুবের বাবা আবদুস শুক্কুর দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭–৮ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত চলছে। পাশাপাশি একজন নারী আইয়ুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

দুর্নীতি সাংবাদিক অনিয়ম সাংবাদিকতা মারধর চট্টগ্রাম বিভাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন...