পারমাণবিক যুদ্ধের মুখে কোরীয় উপত্যকা: উত্তর কোরিয়া
অনলাইন ডেস্কঃ
প্রকাশিত: ০৩:০৪ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩ আপডেট: ০৩:০৪ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার কড়া সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশ দুটির এমন কর্মকাণ্ড কোরীয় উপত্যকাকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পিয়ংইয়ং। একই সঙ্গে হুমকি দিয়ে দেশটি বলেছে, এর জবাব আক্রমণের মাধ্যমে দেওয়া হবে।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি গণমাধ্যম কেসিএনএতে প্রকাশিত এক মন্তব্য প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। গত মার্চ থেকে একের পর এক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। সাগর ও আকাশে চালানো এসব যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে মার্কিন রণতরি ইউএসএস নিমিট্জসহ বি-১বি ও বি-৫২ বোমারু বিমান।
যৌথ এই মহড়াকে মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া। দেশটির ভাষ্যমতে, এটি তাদের ওপর আক্রমণের একটি প্রস্তুতি। কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মহড়ার মাধ্যমে কোরীয় উপত্যকাকে বারুদের একটি বিশাল গুদামে পরিণত করা হয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বিস্ফোরিত হতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই মন্তব্য প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ চো জু হিয়ন বলেন, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও দেশটির মিত্ররা বেপরোয়াভাবে সামরিক দ্বন্দ্ব শুরু করেছে। এর জেরে কোরীয় উপত্যকা একটি অপরিবর্তনীয় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। উপত্যকাটি এখন পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
গত বছর রেকর্ডসংখ্যক সমরাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। গত কয়েক সপ্তাহে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে দেশটি। হোয়াসং–১৭ নামের একটি স্বল্পপাল্লার আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেণ করেছে পিয়ংইয়ং, সামনে এনেছে নতুন ধরনের ছোট আকারের পারমাণবিক অস্ত্র। এ ছাড়া পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ও পানির নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারে এমন একধরনের ড্রোনেরও পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি।